মুর্শিদাবাদ ভ্রমণ-পর্ব-১ (Murshidabad-Part-1)
মুর্শিদাবাদ ভ্রমণ-পর্ব-১ (Murshidabad-Part-1)
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
পড়ন্ত বেলাতেই এসে উপস্থিত হলাম অতীতের মহানগরী ‘মুক্সুবাদ’-এ। নগরীর বাঁ দিক দিয়ে বয়ে চলেছে ভাগীরথী নদী, এই নগরের উত্থান তাকে ঘিরেই। নদীপথে ব্যবসা বাণিজ্যের সুবিধা হেতুই মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব নিযুক্ত তৎকালীন বাঙলা, বিহার আর উড়িষ্যার সুবেদার (পরবর্তীকালে ‘নবাব নাজিম’) মুর্শিদকুলী খাঁ ঢাকা থেকে ভাগীরথীর উপকণ্ঠে মুক্সুবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করেন, তাঁর নামানুসারে নগরের নাম পরিবর্তিত হয়ে হল মুর্শিদাবাদ, সূচনা হল ভারতবর্ষের এক নতুন ইতিহাসের। ইতিহাসের সেই চরিত্ররা আজ আর নেই, রয়ে গিয়েছে তাঁদের স্থাপত্য, লোকমুখে প্রচারিত হয়েছে তাঁদের উদার কর্মযজ্ঞ, বন্দিত হয়েছেন তাঁরা আবার কখনও বা নিন্দিত হয়েছেন ঘৃণ্য অপরাধের জন্যে, লোভ লালসার উন্মত্ততা নিজের অজান্তেই রাজাকে পর্যবসিত করেছে দাসে। ইতিহাসের সঙ্গে মিশে গেছে লোককথা, বিশ্বাস; ইতিহাস কখনও হয়েছে অতিরঞ্জিত আবার কখনও বা বিকৃত।
এই ভ্রমণ কাহিনী ইতিহাসকেন্দ্রিক আর তাই ইতিহাসের পথ অনুসরণ করাটাই শ্রেয় মনে হয় অতএব এ রচনা অতীতের ঘটনাবলীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ; ঘোরার সুবিধের জন্যে উল্লেখিত দ্রষ্টব্য স্থানগুলির পর্যায়ক্রম পরিবর্তন করা যেতেই পারে। এখানে উল্লেখ্য, এটি একটি ঐতিহাসিক স্থানের ভ্রমণকাহিনী (গবেষণাধর্মী বা গবেষণা নির্ভর ঐতিহাসিক প্রবন্ধ নয়) যার অন্যতম উপাদান স্থানীয় গাইডদের প্রদত্ত তথ্য, প্রচলিত লোককথা, বিশ্বাস ইত্যাদি।
জন্মসূত্রে (১৬৬০) দাক্ষিণাত্যের এক ব্রাহ্মণ সন্তান দশ বছর বয়সে হাজি শাফি নামে একজন পার্সি (ইরানী)-র নিকট বিক্রিত হয়। হাজি সাহেব তাঁকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন এবং তাঁর নামকরণ করেন মহম্মদ হাদি। ১৬৯০ খ্রিষ্টাব্দে হাজি শাফি মহম্মদ হাদিকে নিয়ে মোঘল রাজদরবারের কাজ পরিত্যাগপূর্বক পারস্যদেশে (বর্তমানে ইরান) চলে যান। পরবর্তীকালে হাজি-র মৃত্যুর পর পুনরায় হাদি ভারতবর্ষে ফিরে আসেন এবং মোঘল সাম্রাজ্যের অধীন বিদর্ভ নগরের দেওয়ান আবদুল্লা খুরাসানির অধীনে কাজ শুরু করেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠায় প্রসন্ন হয়ে ঔরঙ্গজেব তাঁকে বাঙলার দেওয়ান নিযুক্ত করেন। ঔরঙ্গজেবের শাসনকালের শেষ সময়ে মারাঠারা শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তাঁদের আক্রমণ মোঘল সম্রাটের আর্থিক স্থিতি দুর্বল করে দিয়েছিল। এমতাবস্থায় নবনিযুক্ত দেওয়ান মহম্মদ হাদি রাজস্বস্বরূপ অনেক টাকা দিল্লির সম্রাটকে পাঠিয়েছিলেন এবং মুর্শিদকুলী খাঁ উপাধি লাভ করেন, এর কিছুকালের মধ্যে ‘নাজিম’ উপাধিও লাভ করেন। ১৭০১ থেকে ১৭২৭ খ্রিষ্টাব্দ অবধি রাজত্ব করেন মুর্শিদকুলী খাঁ । মৃত্যুর পর তাঁরই ইচ্ছানুসারে কাটরা মসজিদে সমাধিস্থ করা হয় তাঁকে। জীবৎকালে বিভিন্ন কৃতকর্মের জন্য বৃদ্ধ মুর্শিদকুলী খাঁ অনুতপ্ত হন, সেইজন্যে সকল মানুষের পদধূলি তাঁর পাপস্খলন ঘটাবে এই উদ্দেশ্যে নিজেকে সোপানের নীচে সমাধিস্থ করার আদেশ প্রদান করেন। মুর্শিদাবাদের উত্তরপূর্ব দিকে অবস্থিত এই কাটরা মসজিদ আমাদের প্রথম দ্রষ্টব্য। মুর্শিদাবাদ রেল স্টেশনের অনতিদূরেই রেল লাইন পার করে দেখা যায় কাটরা মসজিদ। মসজিদের দুই প্রান্তে ৭০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট দুইটি গম্বুজ রয়েছে।মসজিদের অভ্যন্তরে রয়েছে অনেকগুলি ছোট আয়তনের প্রকোষ্ঠ আর অতি বৃহদাকার চত্বর যেখানে প্রায় সহস্রাধিক মানুষ একসাথে নামাজ পড়তে পারেন। বর্তমানে মসজিদটি ভারতীয় প্রত্নতাত্বিক বিভাগ (Archeological Survey of India) দ্বারা সংরক্ষিত। প্রকোষ্ঠ গুলিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। পাথরের যোগান পর্যাপ্ত না থাকা আর ভাগীরথীর তীরে এঁটেল মাটি অপরিযাপ্ত, সম্ভবত এই দুইকারণেই এখানকার স্থাপত্য পোড়া ইটের, ইটগুলি আকারে বর্তমানের থেকে অনেকটাই ছোট বলে মনে হয়। কাটরা মসজিদের স্থাপত্যে কোন করি-বরগার ব্যবহার দেখা যায়না।


প্রায় তিনশ বছরের পুরাতন এই স্থাপত্য শুধুমাত্র স্থাপত্যশৈলীর জন্যে নয় বরং তাঁর উন্নত দার্শনিকতার জন্যে আজও প্রাসঙ্গিক।
মুর্শিদকুলী খাঁ-র একপুত্র আর দুই কন্যা। এক কন্যার নাম আজিমুন্নেশা। আজিমুন্নেশা-র বিবাহ সম্পন্ন হয় সুজা খাঁ-র (সুজাউদ্দিন মহম্মদ খাঁ) সহিত। সুজা খাঁ-ই হলেন মুর্শিদকুলী পরবর্তী বাঙলার নবাব (১৭২৭-১৭৩৯)। উদার চিত্ত আর ন্যায় পরায়নতা জন্মসূত্রে তুর্কী মুসলিম সুজাউদ্দিন-কে একজন আদর্শ শাসক হয়ে উঠতে সাহায্য করেছিল। হাজি আহমেদ (আলীবর্দি খাঁ-র বড়ভাই যার আসল নাম মির্জা আহমেদ), আলমচাঁদ প্রমুখ তাঁর শাসনকালে রাজ্যের প্রধান পদে আসীন হন এবং বেগম আজিমুন্নেশার ইচ্ছানুসারে আলীবর্দি খাঁ-কে পাটনার নায়েব নিযুক্ত করা হয়। ১৭৩৯ সালে মৃত্যুর পর সুজাউদ্দিন-কে ভাগীরথীর পশ্চিমপারে রোশনিবাগে সমাধিস্থ করা হয়। রোশনিবাগ (‘বাগ’ কথাটির অর্থ ‘বাগিচা’ বা ‘বাগান’) সুজা খাঁ-ই নির্মাণ করিয়েছিলেন এবং ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন যেন মৃত্যুর পর তাঁর প্রিয় রোশনিবাগেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। আজ রোশনিবাগে যে পথটি দিয়ে পর্যটকরা প্রবেশ করেন সেটি আসলে বাগের পশ্চাৎভাগ, অতীতের প্রধান সম্মুখ ফটকটি এর ঠিক সোজা মধ্যের বিশ্রামাগার (যা পরবর্তীকালের সুজা খাঁ-র সমাধি)-র আগে একই সরলরেখায় অবস্থিত। মূল ফটকটি দিয়ে প্রবেশ করলে ডান দিকে রয়েছে নবাব দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মসজিদ, সম্মুখে ফোয়ারা আর তারপর বিশ্রামাগার। সমগ্র অঞ্চলটি ছিল ফুলের বাগান। রোশনিবাগের অনতিদূরেই সুজা খাঁ প্রতিষ্ঠা করেন অপর একটি মনরম বাগানবাড়ি যা ‘ফারহাবাগ’ বা সুখকানন নামে পরিচিত ছিল, যদিও বর্তমানে একটি জলাশয় ছাড়া এর বিশেষ কোন অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়না।

রোশনিবাগেই রয়েছে সুজা খাঁ-র অপর স্ত্রী জিন্নাতুন্নেশা-র সমাধি। বর্তমানে রোশনিবাগ ভারতীয় প্রত্নতাত্বিক বিভাগ (Archeological Survey of India) রক্ষণাবেক্ষণ করে। রোশনিবাগের পরিধির লাগোয়া গড়ে উঠেছে একটি মাজার। আলাপ হল এক বৃদ্ধের সাথে, পরনে লুঙ্গি আর ফতুয়া। তিনি এই মাজারটি পরিস্কার পরিছন্ন রাখার কাজ করেন আর জীবনযাপনের জন্যে এখানে আগত পর্যটকদের গাইড হিসেবে কাজ করে কিছু উপার্জন করেন। প্রতি চৈত্র মাসে ৩ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত এখানে মেলা বসে, শুনলাম অনেক বাজি পোড়ে মেলা উপলক্ষে। সুজা খাঁ-র অপর উল্লেখযোগ্য কীর্তি ত্রিপলিয়া দরওয়াজা, ডাহাপাড়া মসজিদ নির্মাণ।

আজিমুন্নেশা সম্পর্কিত নানান লোককথা আজও প্রচলিত যেমন তাঁর পুরুষ আসক্তি, শারীরিক অসুস্থতা, আরোগ্যলাভ হেতু মনুষ্য আন্তরযন্ত্রীয় অঙ্গ সেবন এবং সেইহেতু পিতার (মতান্তরে স্বামীর) আদেশে তাঁর জীবন্ত সমাধি ইত্যাদি। যদিও এসবের ঐতিহাসিক প্রমাণ অনুপস্থিত বরং ঐতিহাসিকগণের ধারণা আজিমুন্নেশার মৃত্যু তাঁর পিতার এবং পতির মৃত্যুর পরবর্তীতেই হয়। তাঁর সমাধি রয়েছে ভাগীরথীর পূর্বপারে, এটিও বর্তমানে ভারতীয় প্রত্নতাত্বিক বিভাগ দ্বারা সংরক্ষিত। পিতার মৃত্যুর পর সুজা খাঁ আর আজিমুন্নেশার সন্তান সরফরাজ খাঁ সিংহাসন আরোহণ করেন (১৭৩৯-১৭৪০)। অধিক নারী সংসর্গ, আলস্য, ভোগ বিলাসিতা এবং মন্ত্রীবর্গের উপর অধিক নির্ভরতা রাজ্য পরিচালনায় বাঁধা হয়ে উঠল। অচিরেই মন্ত্রীবর্গের আর নবাবের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দেয় আর তারই পরিণতিতে ১৭৪০ খ্রিষ্টাব্দে গিরিয়ার যুদ্ধে আলীবর্দি খাঁ-র কাছে পরাজিত হয়েছিলেন এবং যুদ্ধক্ষেত্রেই মৃত্যুবরণ করেন। অবসান হয় এক বংশের। এ ইতিহাস বিষাদের, কখনও বিশ্বাসঘাতকতার। ফৌতি মসজিদের স্থাপনা তাঁর আমলেই শুরু হয় কিন্তু তাঁর অকালমৃত্যুর পর এটির স্থাপনা শেষ হয়নি। এই ফৌতি মসজিদ-ই বর্তমানে ফুটি মসজিদ নামে পরিচিত।

সেই সময়ে অনবরত মারাঠাদের (যারা বর্গী নামে তৎকালীন বাঙলাতে পরিচিত ছিল) আক্রমণে বাঙলা, বিহার আর উড়িষ্যা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। বর্গী আক্রমণের নেতৃত্বে ছিলেন ভাস্কর পণ্ডিত। রোশনিবাগের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে ভাস্কর পণ্ডিত ভগবান শিবের মন্দির স্থাপন করেন। এরূপ অবস্থায় কিছুটা বাধ্য হয়েই ভাস্কর পণ্ডিতকে মানকরা নামক জায়গায় নিজের শিবিরে আমন্ত্রণ করে নবাব আলীবর্দি খাঁ তাঁদের হত্যা করেন। এ ইতিহাস এক বিশ্বাসঘাতকের কালিমালিপ্ত ইতিহাস হয়েই থেকে যেত যদিনা আলীবর্দি নিজেকে একজন দক্ষ আর প্রজাদরদী নবাব হিসেবে প্রমাণ করতে সক্ষম হতেন। আলীবর্দি-র ধারণা ছিল হয়ত এরপর বর্গী আক্রমণের হাত থেকে রাজ্যকে রক্ষা করা যাবে কিন্তু তা হয়নি। কিছুকাল বর্গী আক্রমণ বন্ধ ছিল, আর তারপরেই তাঁরা আবার এসেছিল আরও বিক্রমে।

নবাব আলীবর্দি খাঁ-র অধিক স্নেহপরায়ণতাই যে কনিষ্ঠা কন্যা আমিনার পুত্র মির্জা মহম্মদ (যিনি ইতিহাসে সিরাজদউল্লা নামে পরিচিত)-র সিংহাসন আরোহণের অন্যতম প্রধান কারণ সে নিয়ে বিশেষ দ্বিমত নেই। নবাব আলীবর্দি-র মৃত্যুর পর ১৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দে সিরাজ নবাব পদে অভিষিক্ত হন। বড়ই কণ্টকাকীর্ণ ছিল সিংহাসন আরোহণের সেই পথ। তার উপর কখনও সিরাজের দূরদৃষ্টিহীনতা আর ভুল সিদ্ধান্তগ্রহণ পরিস্থিতিকে অনেকটাই প্রতিকূল তৈরি করে দেয়। এইসকলের সন্মিলিত ফলশ্রুতি বাঙলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজের করুন পরিণতি আর বাঙলা তথা ভারতবর্ষের ভাগ্যাকাশে সূর্যাস্ত। শেষ হল পলাশির যুদ্ধ, রাজমহলের নিকট ধরা পরলেন সিরাজ। বন্দী সিরাজকে কয়েদ করে রাখা হল মন্সুরগঞ্জের প্রাসাদে। মীর জাফর পুত্র মীরণ মহম্মদি বেগকে নির্দেশ দিলেন সিরাজকে হত্যা করার, বারংবার ছুরিকাঘাতে লুটিয়ে পড়লেন সিরাজ। মৃত্যুর পর সিরাজের দেহ নিয়ে আসা হয় খোসবাগে। লোকবিশ্বাস সিরাজের দেহ খোসবাগে আনা মাত্র নবাব আলীবর্দির সমাধি দু’ভাগ হয়ে যায়, শুরু হয় রক্তপ্রবাহ। এ শুধুই কল্পিত কাহিনী যার ভিত্তি দাদামশাই আর পৌত্রের বাস্তব অপত্য স্নেহ আর প্রেম। অবশ্যই সিরাজের ব্যক্তিগত জীবন সমালোচনার উর্দ্ধে নয় কিন্তু তাঁর শৌর্য, বীরত্ব, রাজ্যের স্বায়ত্তের দায়বদ্ধতা, অগ্রজের উপদেশ গ্রহণ এবং স্বয়ং সংশোধন কোন প্রকারেই ক্ষুদ্র নয়। মাতামহ আলীবর্দি খাঁ-র সমাধির পাশেই সমাধিস্থ হন সিরাজ।



কিন্তু হত্যালীলা স্তব্ধ হয়না। লোভ লালসা অর্থমোহ অত্যাচারী শাসককে হত্যার যন্ত্রে পরিণত করে। খোসবাগে রাখা আছে সেই সকল সমাধি। ‘খোসবাগ’ কথাটি ‘খুশবাগ’-র (আনন্দ উদ্যান) অপভ্রংশমাত্র।নবাব আলীবর্দি এই খুশবাগ তৈরি করান, শতাধিক গোলাপ ফুলের গাছ রোপণ করেছিলেন এবং তার সৌন্দর্য্য ও সুবাসের জন্যেই বাগ বা বাগিচার নামকরণ করেন খুশবাগ বা আনন্দ উদ্যান। বর্তমানে ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের অধীনে সংরক্ষিত খোসবাগের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর সর্বপ্রথম যে সমাধিটি দেখা যায় সেটি নাফিসা খানম বেগমের, নবাব আলীবর্দি খাঁ-র পত্নী। বিচক্ষণা বেগমের পরামর্শ বৃদ্ধ নবাবের কাছে অপরিহার্য ছিল। বেগমের সমাধির অনতিদূরেই রয়েছে তাঁর দুই কন্যার সমাধি যথাক্রমে সিরাজের বড় মাসি ঘসেটি বেগম আর মা আমিনা বেগমের, নবাব আলীবর্দির মধ্যম কন্যার সমাধি রয়েছে বিহারে।
এখানে রয়েছে একটি মসজিদ, আজ আর নামাজ পড়া হয়না সেখানে, আজান দেওয়া হয়না কখনই, মসজিদের সম্মুখের জলাশয়টি আজ শুষ্ক। মৃত্যুর এই মহামিছিলের কাহিনী শুনতে শুনতে চোখের জলও এই জলাশয়ের মতন শুকিয়ে যায়। এক অদ্ভুত শান্তি রয়েছে এই খোসবাগে। যেন আজও লুৎফুন্নেশা অপেক্ষা করে আছেন সিরাজের, হয়ত তিনি প্রত্যক্ষ করছেন তাঁর প্রিয় সিরাজকে, স্বহস্তে সিরাজের প্রিয় ফুলের গাছ রোপণ করছেন, জল দিচ্ছেন।

মার্চ, ২০১৮
বি. দ্র. এই ভ্রমণ কাহিনীটি প্রথম আমার ব্লগে ১১ই জুলাই ২০২২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। পুনরায় ভ্রমণ কাহিনীটি এই সাইটে প্রকাশিত হলো।
Travel & Travelogue Blogs
Our Latest Travel & Travelogue Blogs
দীর্ঘদিন অনবরত কাজ করে বেশ হাঁফিয়ে উঠেছিলাম, অনেক দিন পর রাখী বা রক্ষাবন্ধনের ছুটি পাওয়া গেলো, পরদিন আবার রবিবার, কাজেই পরপর দু'দিন কর্মবিরতি, ঠিক করলাম জব্বলপুর থেকে ঘুরে আসবো।.....
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 22 September 2025
বন্ধুদের সাথে ঠিক করলাম, সম্মেলনের শেষ দিনে শেষ হওয়ার পর আমাদের হাতে কয়েক ঘন্টা সময় থাকবে, সেই সময় আমরা একটু ঘুরে দেখবো শহরটা। তবে একদিন একটু পর্যন্ত দুপুরে ঘুরে এলাম চাঙ্গি এয়ারপোর্ট। এই বিমানবন্দরটির মধ্যে রয়েছে একটি ট্রপিকাল ফরেস্টের ছোট সংস্করণ, যা অবশ্যই একটি মনোমুগ্ধকর দ্রষ্টব্য।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 4 Feb 2025
পূর্বে একাধিকবার উল্লেখ করেছি আমার ভ্রমণ অধিকাংশ সময়েই কর্মসূত্রে। এর একটা অসুবিধা হলো, ওই স্থানের অনেক দ্রষ্টব্য আমার সময়ের সংক্ষিপ্ততায় দেখা হয়ে ওঠেনা, আবার সুবিধা হলো, এমন কিছু দ্রষ্টব্য, বিশেষত ওই স্থান সম্পর্কিত এমন কিছু তথ্য (যা সম্পর্কে আমার আগ্রহ রয়েছে) জানা যায় বা আমার দেখা হয় যা হয়তো কেবলমাত্র পর্যটক হয়ে এলে দেখা হয়ে উঠতো না। গতবৎসর জুন মাসে একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগদান করতে গিয়েছিলাম সিঙ্গাপুরে, আর এই ভ্রমণ কাহিনীটি সেই বিষয়ে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 3 Feb 2025
ঘুম ভাঙলো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের শব্দে। বাইরে তখন খুবই কুয়াশা, হোটেলের ঘরের কাঁচের জানলা বাষ্পে পূর্ণ, কিছুই দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না, অবশেষে জানলা খুলে কুচকাওয়াজ দেখছিলাম। তারপর প্রস্তুত হয়ে আমরা আমরা বেরোলাম স্থানীয় বিভিন্ন দ্রষ্টব্যস্থান গুলির উদ্দেশ্যে। গতকাল ছিল ঐতিহাসিক ভ্রমণ, আর আজ আমরা সাক্ষী থাকবো প্রাগৈতিহাসিক কালের কিছু নিদর্শনের। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
মালদার নিকট মানিকচক ঘাট থেকে ভেসেলে গঙ্গা পার হয়ে আমরা পৌঁছলাম রাজমহল ঘাটে, তখন প্রায় ১'টা বাজে। মালদা ভ্রমণের পর এবার আমরা রাজমহল ঘুরব। ঝাড়খন্ড রাজ্যের সাহিবগঞ্জ জেলায় রাজমহল অবস্থিত, যা একদা মাল-পাহাড়িয়া উপজাতির গোষ্ঠী মাল রাজা শাসন করতেন। সকালে হোটেল থেকে প্রাতঃরাশ সেরেই বেরিয়েছিলাম আমরা।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
হাবশী বংশের পরে বাংলার শাসনভার ন্যস্ত হয় হুসেন শাহী বংশের (১৪৯৪ থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ) উপর। আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা। বড়ো সোনা মসজিদ বা বারদুয়ারী মসজিদের নির্মাণ কার্য আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সময়কালে আরম্ভ হলেও নির্মাণকার্যটি শেষ হয় নাসিরুদ্দিন নসরৎ শাহের আমলে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
গতকাল রেডিওতে গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ঘুম ভাঙলো বেশ ভোরে। হোটেলে প্রাতঃরাশ সকাল ৮ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত। আমরা পৌনে ন'টার মধ্যে প্রাতঃরাশ সেরে ন'টা নাগাদ বেরিয়ে পড়লাম। গতকালই আমি অটো-র জন্যে বলে রেখেছিলাম। সঠিক সময়ে আমাদের অটো চালক দাদা এসে গিয়েছিলেন। বর্তমানে মালদা শহরের দক্ষিণে গৌড় এবং উত্তরে রয়েছে পাণ্ডুয়া।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
সকাল ন'টায় কলকাতা স্টেশন থেকে রওনা হয়ে ১২৩৬৩ কলকাতা-হলদিবাড়ি সুপারফাস্ট সঠিক সময় বিকাল ৩টে-তে মালদা টাউন পৌঁছলো। আর আমরা এসে পৌঁছলাম অতীতের মহানগর গৌড়ে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
আজ একটু বেলা করেই উঠলো সবাই। গত কয়েকদিন ধরে বেশ ভোর ভোরই উঠতে হচ্ছিলো সকলকে, আজ একটু বেশিক্ষন বিছানায় কাটানো যাচ্ছে, বেশ লাগছে। গতকাল একটি ফটো আমরা গাড়িতে ফেলে এসেছিলাম, তাই রুডিকে ফোন করে অনুরোধ করলাম সে যেন গতকালের গাড়িটিই আমাদের জন্যে আজকে পাঠায়, সেটিতেই আমরা যাবো পাটায়া।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
আজ আমাদের ব্যাঙ্কক ঘোরার প্রথম দিন। প্রথমে আমরা যাবো ম্যাকলং রেলস্টেশনে (Maeklong Station)। রেললাইনের দু'পাশে পসরা সাজিয়ে বাজার বসেছে। ট্রেনটি যখন আসে দোকানগুলির উপর থেকে চাঁদোয়াগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়, সংকীর্ণ লাইনটি বেয়ে রেলগাড়িটি স্টেশনে আসে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
আজও ঘুম ভাঙলো ভোর ৫ টায়। আসলে থাইল্যান্ড সময় দক্ষিণ কোরিয়ার সময়ের থেকে ২ ঘন্টা পিছিয়ে, আমার বায়োলজিক্যাল ক্লক অনুসারে আমি বাড়িতে সকাল ৭ টায় উঠি, কাজেই এখানে তাড়াতাড়ি আমার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
আজ খুব ভোরে, প্রায় ৫ টা নাগাদ, ঘুম ভেঙে গিয়েছিলো। বাইরে তখনও অন্ধকার, বারান্দায় এসে বসলাম, একটু পরে আলো ফুটবে। বেশ ভালো লাগে ভোর হওয়া দেখতে। ৬টা নাগাদ সবাইকে ডেকে দিলাম, প্রাত্যহিক কাজ সেরে ফ্রেশ হয়ে চা-বিস্কুট খেয়ে আমরা অপেক্ষা করছিলাম। সাড়ে সাতটায় গাড়ি এলো আমাদের নিয়ে যেতে। আজ আমরা অনেকগুলি দ্বীপ ঘুরে দেখবো, সমুদ্র যাত্রা, সমুদ্রস্নান সবই হবে, কাজেই বাড়ি থেকে স্নান সেরে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
অন্তর্দেশীয় বহির্গমন বিমানবন্দরের তিনতলায় অবস্থিত। পূর্বেই বলেছি এবার আমাদের যাত্রা ফুকেটের উদ্দেশ্যে। বিমানবন্দরে নির্দিষ্ট বিমানের কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করে, নিরাপত্তা পরীক্ষার পর যখন নির্দিষ্ট দ্বারের সামনে এসে পৌঁছলাম তখন হাতে বেশ কিছুটা সময় ছিল। মা বাবা'রা কলকাতা থেকে অনেক মিষ্টি নিয়ে এসেছিলেন, কয়েকটির সদ্গতি করে বিমানে চড়লাম।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
প্রায় দীর্ঘ সাড়ে তিন বৎসর পর কয়েকদিনের ছুটিতে সপরিবারে গিয়েছিলাম থাইল্যান্ড। আগামী কয়েকটি পর্বে আমি আমাদের এই ভ্রমণ কাহিনীটি বিস্তারিত লিখব। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
উহান আজ বিশ্ববাসীর কাছে খুব পরিচিত নাম। কোভিড-১৯ এই শহরেই প্রথম সংক্রামিত হয়েছিল। আমার এই শহরের সাথে পরিচয় তার কিছু পূর্বে, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে। একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগদান করতে ওই বছর মে মাসে আমি উহান শহরে যাই।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 23 Jan 2025
২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে গিয়েছিলাম তাজপুর-শঙ্করপুর-দীঘা বেড়াতে। তাজপুর বেড়ানোর অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে একটি ব্লগ আমি পূর্বে লিখেছি। আজকের ব্লগে আমি শঙ্করপুর বেড়ানোর অভিজ্ঞতা লিখবো। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
বৈচিত্র্যময় ভারতবর্ষের মৃত্তিকার প্রতিটি কণায় কান পাতলে শোনা যায় তার ইতিহাস, লোকসংস্কৃতি, আর দর্শন। এই বৈচিত্র্যময়তার সাথে একাত্মতা অনুভব করেই আমরা সেইস্থানের মাহাত্ম্য অনুধাবন করি।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
আমি যে খুব ট্রেকিং প্রিয় মানুষ তা নয়, তবে বিগত কয়েক বৎসর ধরে, মানে আমার দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসের সময়কালের মধ্যে, বৎসরান্তে একবার গবেষণাগারের সকলের সাথে আমি কোনো না কোনো পর্বতে হাইকিং করতে যাই। করোনা মহামারীর পূর্বে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে গিয়েছিলাম সোবেকসানে (সোবেক পর্বতে, কোরিয়ান 'সান' শব্দটির অর্থ পর্বত), আবার ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেও আমরা গিয়েছিলাম ওই পর্বতে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
এ ভ্রমণ বৃত্তান্ত আমার ছোটবেলার, আমি তখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি। বাবার এক বন্ধুর পরিবারের সাথে আমরা গিয়েছিলাম রাজগীর। বাবাকে কখনওই বেড়ানোর দীর্ঘ পরিকল্পনা করতে দেখিনি, হঠাৎ করেই ঠিক করে ফেলতেন, কখনও টিকিট কেটে এনে বাড়িতে এসে আমাদের নিয়ে রওনা হতেন।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
মহানগরী মুম্বই, ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন এসে পৌঁছলাম দুপুর প্রায় গড়িয়ে গেছে। এবার সোজা হোটেল। সাকিনাকা-তে আমাদের হোটেল, বিমানবন্দর থেকে বেশি দূরে নয়। আমাদের ফেরার ফ্লাইট সকালে, তাই এই জায়গাটা বেশ সুবিধার হলো আমাদের জন্যে। মুম্বই শহরে দীর্ঘদিন আমি কাটিয়েছি, কলেজের পাঠ শেষ করে কর্মসূত্রে এ শহরে আমি এসেছিলাম।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত তাজপুর পশ্চিমবঙ্গের সৈকত পর্যটনের তুলনামূলক নতুন সংযোজন। দ্বাদশ পরিকল্পনা অনুসারে পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্গত যে চারটি পর্যটন বর্তনী (Circuit) শনাক্তকরণ করা হয়েছিল তার মধ্যে প্রথমটি সৈকত কেন্দ্রিক (দীঘা -শঙ্করপুর - তাজপুর - জুনপুট - মন্দারমনি) আর আমাদের গন্তব্য তাজপুর, জেলে বসতির উপর আধারিত এই পর্যটন কেন্দ্র।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
সিরাজের মৃত্যুতে অবসান হল আফসার বংশের, ভারতবর্ষের ভাগ্যাকাশে নেমে এলো সূর্যাস্ত। শুরু হল মীর জাফর বংশ, ইতিহাসে যা নাজাফী বংশ বলে পরিচিত। ২৪ শে জুন ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে যখন পলাশির যুদ্ধ শেষ হয় আর ২৯শে জুন মীর জাফর মুর্শিদাবাদের সিংহাসনে বসেন, রবার্ট ক্লাইভ যথার্থই বলেছিলেন এই জয় তাঁর নয় বরং এই জয় মীর জাফরের।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
পড়ন্ত বেলাতেই এসে উপস্থিত হলাম অতীতের মহানগরী ‘মুক্সুবাদ’-এ। নগরীর বাঁ দিক দিয়ে বয়ে চলেছে ভাগীরথী নদী, এই নগরের উত্থান তাকে ঘিরেই। নদীপথে ব্যবসা বাণিজ্যের সুবিধা হেতুই মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব নিযুক্ত তৎকালীন বাঙলা, বিহার আর উড়িষ্যার সুবেদার (পরবর্তীকালে ‘নবাব নাজিম’) মুর্শিদকুলী খাঁ ঢাকা থেকে ভাগীরথীর উপকণ্ঠে মুক্সুবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করেন, তাঁর নামানুসারে নগরের নাম পরিবর্তিত হয়ে হল মুর্শিদাবাদ, সূচনা হল ভারতবর্ষের এক নতুন ইতিহাসের।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
সকাল ১০ টা ১০ র শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস হাওড়া ছেড়ে যখন শান্তিনিকেতন পৌঁছালো তখন বেলা প্রায় সাড়ে বারোটা। বাইরে বেরিয়ে টোটো ধরে হোটেল পান্থনিবাসে পৌঁছলাম প্রায় দেড়টা নাগাদ।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
সময়ের অপ্রতুলতা জীবনধারণের সবক্ষেত্রে উপলব্ধি করলেও, বোধহয় সর্বাধিক প্রকট হয়ে ওঠে দৈনন্দিন ব্যস্ত জীবনের মধ্যে ভ্রমণের সময় অনুসন্ধানে। পাঁচমাড়ি ভ্রমণের সময়েও এর ব্যতিক্রম হয়নি।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 13 Jan 2025
আনদং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইয়ংদেওক বা ইয়ংদক (Yeongdeok, South Korea) সমুদ্র সৈকতের দূরত্ব ৫৫-৬০ কিলোমিটারের মতন, সময় লাগে ঘন্টা খানেক। অপূর্ব সুন্দর সৈকতের পাশাপাশি ইয়ংদক বিখ্যাত তার মৎস বন্দর আর বিশেষত কাঁকড়ার জন্যে। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 13 Jan 2025
যখন হরিদ্বার পৌঁছলাম ‘হর কি পাউরি’ ঘাটে সন্ধ্যারতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্রহ্মকুণ্ডের সামনে প্রথমে মাতা গঙ্গার বন্দনা আর তারপর পুরোহিতগণ নদীমাতৃকার উদ্দেশ্যে আরতি করেন, অগণিত ভক্ত সেই মঙ্গলারতি দর্শন করে নিজেদের ধন্য মনে করেন।........
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 13 Jan 2025