উহান ডাইরি (Wuhan Diary)
উহান ডাইরি (Wuhan Diary)
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 23 Jan 2025
উহান আজ বিশ্ববাসীর কাছে খুব পরিচিত নাম। কোভিড-১৯ এই শহরেই প্রথম সংক্রামিত হয়েছিল। আমার এই শহরের সাথে পরিচয় তার কিছু পূর্বে, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে। একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগদান করতে ওই বছর মে মাসে আমি উহান শহরে যাই। যথারীতি ওই দেশের ভিসা সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট দিনে সময় মতন বিমানবন্দরে পৌঁছলাম। আমার যাত্রা চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স-এ, বোর্ডিং পাস নেওয়ার সময় বিমান কর্তৃপক্ষ জানালেন ১৫-২০ মিনিট বিলম্বের কথা। ইঞ্চিওন (Incheon) থেকে উহান (Wuhan) মোটামুটি সোয়া তিন ঘন্টার বিমানযাত্রা।
বিমানে আসনের সামনে সব সময় পত্রিকা রাখা থাকে, পত্রিকার পাতায় মনোনিবেশ করলাম। একটি আর্টিকেল-এ বেশ কয়েকটি ভাস্কর্যের এবং সেগুলি কোন সময়কার তা উল্লেখ করা রয়েছে, যেমন, উত্তর চীন থেকে প্রাপ্ত ৭৭০ থেকে ২২১ খ্রিস্টপূর্বের বসন্ত এবং শরতের সময়কাল এবং যুদ্ধরত রাজ্যের সময়কালের (Spring and Autumn period and Warring States Period) ৪ থেকে ১০ সেন্টিমিটারের টেরাকোটা মূর্তির ভাস্কর্য, ২২১ থেকে ২০৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কুইন রাজবংশের (Qin dynasty) সময়কালের যোদ্ধার মূর্তি, ২০৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ২২০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত হান রাজবংশের (Han dynasty) সময়কালের ভাস্কর্য যা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব করে, ৩৮৬ থেকে ৫৩৪ খ্রিস্টাব্দের নর্থ ওই (North Wei dynasty), ৬১৮ থেকে ৯০৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তাং রাজবংশ (Tang dynasty), ৯৬০ থেকে ১২৭৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সং রাজবংশ (Song dynasty), এবং ১৩৬৮ থেকে ১৬৪৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মিং রাজবংশের (Ming dynasty) সময়ের ভাস্কর্যগুলি। সময়ের সাথে সাথে ভাস্কর্যগুলির বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ার মতন, যেমন বর্ণের স্থায়িত্ব, নানান মোল্ড ইত্যাদি। ইতিহাস থেকে বর্তমানে ফিরলাম খবরের কাগজের হাত ধরে, খবরের কাগজে প্রকাশিত একটি খবরের দিকে চোখ আটকে গেলো, একটি কাউন্টিতে কিছু মানুষ মেয়াদ উত্তীর্ণ ফেলে দেওয়া মাংস সংগ্রহ করে পুনরায় তা বিক্রি করছে, হায় রে ! কিছুকাল আগে আমাদের শহরে ভাগাড় থেকে সংগৃহিত মাংসের বিক্রী নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল।
ইঞ্চিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে যখন উহান তিয়ান্হে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলাম, তখন প্রায় দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া থেকে চীনের স্থানীয় সময় এক ঘন্টা পিছিয়ে, কাজেই যে কোনো দেশে পৌঁছনোর মুহূর্তে প্রথম আবশ্যকীয় কাজ ঘড়ির সময় ঠিক করে নেওয়া। বিমানবন্দর থেকে একটা ট্যাক্সি নিয়ে ইয়াংজে নদী পার হয়ে হোটেলে এসে উঠলাম। হোটেলটি থেকে সম্মেলনের স্থানে পৌঁছতে প্রতিদিন মেট্রোতে যেতে হয়, কাজেই শহরটাকে বেশ ভালোভাবে দেখা যায়। উহান হ্রদের শহর, কত যে হ্রদ শহরটার মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে !

হোটেলে ব্যাগপত্র রেখে, একটু ফ্রেশ হয়ে বেরোলাম। মে মাসে এই শহর বেশ মনোরম, আবহাওয়া খুবই উপভোগ্য, সাধারণত ১৮ থেকে যে ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা থাকে। কাছেই বাজার, ফুটপাথের ধারে সারি সারি দোকান, যেমন আমাদের দেশে হয়ে থাকে। হঠাৎ একটা গন্ধ এসে নাকে লাগলো, অনেকটা আমাদের কাঁঠালের গন্ধের মতন। পাশে ফলের দোকানে তাকিয়ে দেখি কাঁঠালের মতন দেখতে এক ধরণের ফল, এই প্রথম আমি দুরিয়ান ফল দেখলাম। আরও কতরকমের যে ট্রপিক্যাল ফলের, যেমন ড্রাগন ফ্ৰুট, ম্যাঙ্গোস্টিন, তরমুজ, ম্যান্ডারিন ইত্যাদি, সম্ভার নিয়ে দোকানগুলি পসরা সাজিয়ে রেখেছে !

ছোটবেলার থেকে আমরা ভারতীয়রা, বিশেষত যারা শহর অঞ্চলে বসবাস করেন, চাইনিজ খাবারের সাথে পরিচিত। বিভিন্ন চাইনিজ পদগুলি যেমন নুড্লস, ফ্রায়েড রাইস, চিলি চিকেন ইত্যাদি আমাদের রসনাতৃপ্ত করে, কাজেই এখানে যে খাবার অতি সুস্বাদু তা নিয়ে আমি নিশ্চিত (!)। আমরা বাজারে একটা ভালো রেস্তোরাঁতে ডিনার খেতে গিয়ে, চিকেনের একটি পদ, টোফু স্যুপ এবং আরেকটি ফ্রাই পদ অর্ডার দিলাম। যথাসময়ে আমাদের টেবিলে খাদ্যবস্তু পরিবেশিত হলো, একটি চিকেন এবং এক প্লেট লাল শুকনো লঙ্কা এবং চীনা বাদাম খুব অল্প তেলে ভাজা। চিকেনের যে পদটি এলো তার বিবরণ দেওয়া আবশ্যক, একটি সিদ্ধ ঠান্ডা চিকেন, যা স্লাইস করে করে কাটা এবং তার উপরে চিকেনের মাথাটা বসানো, এখানে চিকেনের চামড়া বাদ দেওয়া হয় না।

বলাই বাহুল্য, এরপর খানিক ঘোরাঘুরি করে আমরা আবার একটি নুড্লস-র দোকানে ঢুকেছিলাম। এখানে নুড্লস সিদ্ধ এবং বাটিতে পাতলা এক ধরণের স্যুপের মধ্যে সিদ্ধ নুড্লস পরিবেশ করা হয়। আসলে কলকাতার চাইনিজ ভীষণভাবে আমাদের স্বাদনুসারে মেটামরফোর্সড।
বেশ ভোরেই ঘুম ভাঙলো। আজ সম্মেলনের প্রথমদিন, মেট্রোতে যেতে হবে জানলেও পথটা অচেনা, কাজেই সময় হাতে নিয়ে বেড়ানোই ভালো। সময় মতন পৌঁছলেন নির্দিষ্ট স্থানে, রেজিস্ট্রেশন পর্ব শেষ করে দেখা হলো অনেকের সাথে, কেউ পূর্বপরিচিত আবার কারও সাথে নতুন পরিচয়। নানান দেশ থেকে, প্রায় ৪০ টি দেশ থেকে, গবেষক, অধ্যাপক, ছাত্র-ছাত্রীরা এসেছেন সম্মেলনে যোগদান করতে, সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় খাদ্য এবং পশুখাদ্য হিসেবে কীটের ব্যবহার। সারাদিন ধরে চললো প্লেনারি লেকচার, গবেষণাপত্র পড়া, পোস্টার প্রেজেন্টেশন ইত্যাদি- যা সাধারণত সম্মেলনগুলিতে হয়ে থাকে।
সারাদিন ব্যস্ততায় কাটার পর ফেরার পথে শহরটা বেশ উপভোগ করা যায়। আমার হোটেলটির পাশে একটা ময়দান মতন ছিল, সন্ধ্যেবেলায় স্থানীয় বাসিন্দারা এখানে আসেন, ছোটরা ছোটাছুটি করে, সাইকেল চালায়, বড়োরা গল্প করেন, শরীরচর্চা করেন। প্রতি সন্ধ্যায় আমি এখানে অনেক মানুষকে ফুটপথে এক ধরণের মন্থর নাচের মতন কিছু অনুশীলন করতে দেখেছি, আমি জানি না একে কি বলা হয়।

সকালে-সন্ধ্যায় আশপাশ ঘুরে দেখেছিলাম, বিরাট বিরাট গগনচুম্বী সব অট্টালিকা, অনেক মানুষজন, গাড়ী-বাস-মেট্রো – সব মিলিয়ে আর পাঁচটা বর্তমানের মেট্রোপলিটনের মতন।



এখানকার মানুষ বেশ মিশুকে, সকলে ইংরেজী ভাষায় সড়গড় নন বটে, তবে মনের ভাব প্রকাশ করতে কবে আর ভাষা অন্তরায় হয়েছে ! আমার এই অভিজ্ঞতা আগেও হয়েছে। পূর্বে বাড়ি যেতে হলে আমি চীন হয়েই যেতাম, মূলত পয়সা কম লাগতো বলে। তখন একাধিকবার চীনদেশের নাগরিক বিমানে আমার সহযাত্রী হয়েছেন। একবার তো এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক আমার সহযাত্রী হলেন, আমার আসন জানলার ধারে, বৃদ্ধ ভদ্রলোকের মাঝখানে সিট পড়েছে। একগাল হেসে উনি চীনা ভাষায় কি বললেন তা আমি বুঝলাম না, তবে জানলার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করতে বুঝতে অসুবিধা হলো না। আমি খুশি হয়েই ওনার সাথে আসন পরিবর্তন করে নিয়েছিলাম। তারপর সারা রাস্তা উনি আমার সাথে গল্প করছিলেন, কিছুটা চীন ভাষায় আর কিছুটা আকার-ইঙ্গিতে, আমি মূলত ছিলাম শ্রোতার ভূমিকায়। আমি তো সেই ভাষা বুঝি না, উনি আবার ইংরেজী ভাষা খুব বলতে পারেন না, উনি আমাকে ওনার ঘড়ি দেখালেন, তারপর ‘সন সন’ বললে বুঝতে অসুবিধা হলো না যে ঘড়িটি ওনার ছেলে ওনাকে উপহার হিসেবে দিয়েছেন।
হোটেলে ফিরে নিজের প্রেজেন্টেশনটা নিয়ে একটু বসলাম, দু’টো আলাদা আলাদা সময়ে দু’টো প্রেজেন্টেশন। প্রথম গবেষণাপত্রটি আমি পড়বো, পরেরটি আমার এক অধ্যাপক পড়বেন পরের দিন।আমার গবেষণাপত্রটি কয়েক প্রকার কীটের রাসায়নিক বিশ্লেষণের উপর, যা তাদের পুষ্টিগুণাগুণ সম্পর্কে অবহিত করে। অপর গবেষণাপত্রটি ভোক্তা আচরণের (Consumer behaviour) বিষয়ে, অর্থাৎ সাধারণ ভোক্তা কীটকে খাদ্য বা খাদ্য উপকরণ হিসেবে কিভাবে দেখেন। যাইহোক, এখানে এসকল বিষয়ে বিশদে অবতারণা না করে ভ্রমণ কাহিনীটিতে ফিরে আসা যাক। তবে ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে অন্য কোনো ব্লগে এই সকল বিষয়ে আমি লিখবো।
উহান থেকে আমি অধ্যাপকের সাথে জিনইয়াং এগ্রিকালচার ও ফরেস্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়ে (Xinyang Agriculture and Forestry University) যাবো। বিশ্ববিদ্যালয়টি উহান থেকে প্রায় সোয়া দুইশত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ওখানে অধ্যাপকের একজন ছাত্র, যার সাথে আমার দক্ষিণ কোরিয়ায় কাজে যোগদানের সময় থেকে পরিচয়, সে সহকারী অধ্যাপক পদে যোগ দিয়েছেন, সেই আমাদের নিমন্ত্রণ করেছিলেন। চীনে যে উচ্চগতিসম্পন্ন রেল রয়েছে তাতেই আমাদের যাত্রা। মজার একটা বিষয় ঘটলো, তার বর্ণনা করি। যথাসময়ে আমরা তো ট্রেনে উঠে নিজের নিজের আসন গ্রহণ করলাম, ট্রেন চলতে শুরু করলো। কামরার একটি ইলেক্ট্রনিক বোর্ডে গাড়ির গতিবেগ দেখাচ্ছে, কখনও ৩০০, কখনো ৩১০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। আর একটি টেলিভিশনও ছিল, তাতে সিনেমা চলছিল। সাধারণত আমি যে খুব সিনেমা দেখি তা নয়, কিন্তু টেলিভিশনে একজন ভারতীয় অভিনেতাকে হঠাৎ করে চোখে পড়তেই তাকালাম। একটি ভারতীয় ছবি চীনা ভাষায় চলছে। যাই হোক, কিছুক্ষন বাদে ল্যাপটপ বার করে একটু কাজ করতে বসেছি। একটা আপেল রেখেছি, ডেস্কের উপর। হঠাৎ গাড়ি থামলো একটা স্টেশনে, দরজা খুলে গেলো, মাত্র ৪০-৪৫ মিনিট হয়েছে। হঠাৎ হিসেবে মাথায় এলো, আচ্ছা যদি গাড়িটি মোটামুটি গড় তিনশত-পৌনে তিনশত কিলোমিটার গতিবেগে চলে তবে সোয়া দুইশত কিলোমিটার পৌঁছতে তো ৪০-৪৫ মিনিটই লাগার কথা। আর কি ! খোলা ল্যাপটপ, আপেল, ব্যাগ সবকিছু নিয়ে আমরা প্রায় ঝাঁপিয়ে স্টেশনে নামলাম। ট্রেন চলে গেলো। আমরা নিজেদের ল্যাপটপ নিজেদের ব্যাগে ঢোকালাম, আপেলটাকেও রাখলাম, জুতোটা একটু খুলে বসেছিলাম ট্রেনে, এবার জুতোর ফিতে লাগিয়ে স্টেশনের বাইরে বেরোলাম। বাইরে বেরিয়েই দেখা হলো সহকারী অধ্যাপকের সাথে, পুরোনো বন্ধুকে দেখলে যেমন হয় আর কি, কত কথা ! ওঁর গাড়িতেই আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওঁদের বিভাগে এসে পৌঁছলাম। সকলে অপেক্ষা করছিলেন।
এখানে আমার বক্তব্যের বিষয় ছিল ঐতিহ্যগত খাবার এবং পুষ্টি সুরক্ষা (Ethnic/Traditional foods and Nutrition Security)। খাদ্য সংস্থান এবং পুষ্টি নিশ্চিত করতে (তো বটেই, পাশাপাশি সুস্থায়ী পরিবেশ সুনিশ্চিত করতেও) ঐতিহ্যগত খাদ্যবস্তুগুলি কিরূপে আমাদের সাহায্য করতে পারে তাই ছিল আমার আলোচনার মূল বিষয়। আমি পূর্বেই আমার প্রেজেন্টেশনটি এবং উক্ত বিষয় সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত একটি লেখা আমার বন্ধুটিকে পাঠিয়েছিলাম, যাতে সে সেটি চাইনিজ ভাষায় অনুবাদ করে আগে থেকেই ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে দেন, এতে তাঁদের পক্ষে বিষয়বস্তুটি বুঝতে সুবিধা হবে আর আমাকে তাঁদের জিজ্ঞাস্য ভালোভাবে জানাতে পারবে। অনেক প্রশ্ন, বক্তব্য, আলোচনার পর আমরা ওই বিভাগের গবেষণাগারগুলি পরিদর্শন করেছিলাম। এরপর ছিল ডিনারের আমন্ত্রণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনতিদূরেই একটি রেঁস্তোরাতে ডিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। ডিনারের পর হোটেলে ফিরলাম, বেশ ক্লান্ত ছিলাম। এবারকার মতন সকল কাজ মিটেছে, আজ বিশ্রাম, খুব ভালো লাগলো এঁদের বিশ্ববিদ্যালয়, প্রানোচ্ছল ছাত্র-ছাত্রী মুখরিত ক্লাসরুম, পরিবেশ। কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম খেয়াল নেই।
বেশ ভোরে ঘুম থেকে উঠে পড়েছিলাম, আসলে আমার প্রায় সারা রাত ধরেই পেট ব্যথা করছিলো, এর কি কারণ আমি তা জানি না। অনেক বার টয়লেটে গিয়েছিলাম আর বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। যথা সময়ে গাড়ি হোটেলে এসে গিয়েছিলো, আমরা প্রায় ৮ টা নাগাদ রওনা হলাম। পথে আবার টয়লেটের প্রয়োজন হয়ে পড়লো আমার, কাজেই গাড়ি দাঁড়ালো। এখানে পাবলিক টয়লেটের দরজা থাকে না, এতো বেশ মুশকিল ! তবে কি উপায় ! এবার আমরা রাস্তার ধারের একটি অপেক্ষকৃত বোরো শপিংমার্টে দাঁড়ালাম, সেখানে টয়লেটে দরজা ছিল। এরপর আর অসুবিধা হয়নি, সোজা এসে পৌঁছলাম উহান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, সেখান থেকে ইঞ্চিওন বিমানবন্দর, তারপর বাসে আনদং।
মে, ২০১৮
উপরিউক্ত সম্মেলনের বিষয়ে জানতে পড়তে পারেন: Tomberlin, J.K.; Zheng, L.; van Huis, A. 2018. Insects to feed the world conference 2018. 2018. Journal of Insects as Food and Feed 4(2): 75-76.
Travel & Travelogue Blogs
Our Latest Travel & Travelogue Blogs
দীর্ঘদিন অনবরত কাজ করে বেশ হাঁফিয়ে উঠেছিলাম, অনেক দিন পর রাখী বা রক্ষাবন্ধনের ছুটি পাওয়া গেলো, পরদিন আবার রবিবার, কাজেই পরপর দু'দিন কর্মবিরতি, ঠিক করলাম জব্বলপুর থেকে ঘুরে আসবো।.....
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 22 September 2025
বন্ধুদের সাথে ঠিক করলাম, সম্মেলনের শেষ দিনে শেষ হওয়ার পর আমাদের হাতে কয়েক ঘন্টা সময় থাকবে, সেই সময় আমরা একটু ঘুরে দেখবো শহরটা। তবে একদিন একটু পর্যন্ত দুপুরে ঘুরে এলাম চাঙ্গি এয়ারপোর্ট। এই বিমানবন্দরটির মধ্যে রয়েছে একটি ট্রপিকাল ফরেস্টের ছোট সংস্করণ, যা অবশ্যই একটি মনোমুগ্ধকর দ্রষ্টব্য।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 4 Feb 2025
পূর্বে একাধিকবার উল্লেখ করেছি আমার ভ্রমণ অধিকাংশ সময়েই কর্মসূত্রে। এর একটা অসুবিধা হলো, ওই স্থানের অনেক দ্রষ্টব্য আমার সময়ের সংক্ষিপ্ততায় দেখা হয়ে ওঠেনা, আবার সুবিধা হলো, এমন কিছু দ্রষ্টব্য, বিশেষত ওই স্থান সম্পর্কিত এমন কিছু তথ্য (যা সম্পর্কে আমার আগ্রহ রয়েছে) জানা যায় বা আমার দেখা হয় যা হয়তো কেবলমাত্র পর্যটক হয়ে এলে দেখা হয়ে উঠতো না। গতবৎসর জুন মাসে একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগদান করতে গিয়েছিলাম সিঙ্গাপুরে, আর এই ভ্রমণ কাহিনীটি সেই বিষয়ে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 3 Feb 2025
ঘুম ভাঙলো প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের শব্দে। বাইরে তখন খুবই কুয়াশা, হোটেলের ঘরের কাঁচের জানলা বাষ্পে পূর্ণ, কিছুই দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না, অবশেষে জানলা খুলে কুচকাওয়াজ দেখছিলাম। তারপর প্রস্তুত হয়ে আমরা আমরা বেরোলাম স্থানীয় বিভিন্ন দ্রষ্টব্যস্থান গুলির উদ্দেশ্যে। গতকাল ছিল ঐতিহাসিক ভ্রমণ, আর আজ আমরা সাক্ষী থাকবো প্রাগৈতিহাসিক কালের কিছু নিদর্শনের। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
মালদার নিকট মানিকচক ঘাট থেকে ভেসেলে গঙ্গা পার হয়ে আমরা পৌঁছলাম রাজমহল ঘাটে, তখন প্রায় ১'টা বাজে। মালদা ভ্রমণের পর এবার আমরা রাজমহল ঘুরব। ঝাড়খন্ড রাজ্যের সাহিবগঞ্জ জেলায় রাজমহল অবস্থিত, যা একদা মাল-পাহাড়িয়া উপজাতির গোষ্ঠী মাল রাজা শাসন করতেন। সকালে হোটেল থেকে প্রাতঃরাশ সেরেই বেরিয়েছিলাম আমরা।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
হাবশী বংশের পরে বাংলার শাসনভার ন্যস্ত হয় হুসেন শাহী বংশের (১৪৯৪ থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ) উপর। আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা। বড়ো সোনা মসজিদ বা বারদুয়ারী মসজিদের নির্মাণ কার্য আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সময়কালে আরম্ভ হলেও নির্মাণকার্যটি শেষ হয় নাসিরুদ্দিন নসরৎ শাহের আমলে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
গতকাল রেডিওতে গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ঘুম ভাঙলো বেশ ভোরে। হোটেলে প্রাতঃরাশ সকাল ৮ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত। আমরা পৌনে ন'টার মধ্যে প্রাতঃরাশ সেরে ন'টা নাগাদ বেরিয়ে পড়লাম। গতকালই আমি অটো-র জন্যে বলে রেখেছিলাম। সঠিক সময়ে আমাদের অটো চালক দাদা এসে গিয়েছিলেন। বর্তমানে মালদা শহরের দক্ষিণে গৌড় এবং উত্তরে রয়েছে পাণ্ডুয়া।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
সকাল ন'টায় কলকাতা স্টেশন থেকে রওনা হয়ে ১২৩৬৩ কলকাতা-হলদিবাড়ি সুপারফাস্ট সঠিক সময় বিকাল ৩টে-তে মালদা টাউন পৌঁছলো। আর আমরা এসে পৌঁছলাম অতীতের মহানগর গৌড়ে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 28 Jan 2025
আজ একটু বেলা করেই উঠলো সবাই। গত কয়েকদিন ধরে বেশ ভোর ভোরই উঠতে হচ্ছিলো সকলকে, আজ একটু বেশিক্ষন বিছানায় কাটানো যাচ্ছে, বেশ লাগছে। গতকাল একটি ফটো আমরা গাড়িতে ফেলে এসেছিলাম, তাই রুডিকে ফোন করে অনুরোধ করলাম সে যেন গতকালের গাড়িটিই আমাদের জন্যে আজকে পাঠায়, সেটিতেই আমরা যাবো পাটায়া।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
আজ আমাদের ব্যাঙ্কক ঘোরার প্রথম দিন। প্রথমে আমরা যাবো ম্যাকলং রেলস্টেশনে (Maeklong Station)। রেললাইনের দু'পাশে পসরা সাজিয়ে বাজার বসেছে। ট্রেনটি যখন আসে দোকানগুলির উপর থেকে চাঁদোয়াগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়, সংকীর্ণ লাইনটি বেয়ে রেলগাড়িটি স্টেশনে আসে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
আজও ঘুম ভাঙলো ভোর ৫ টায়। আসলে থাইল্যান্ড সময় দক্ষিণ কোরিয়ার সময়ের থেকে ২ ঘন্টা পিছিয়ে, আমার বায়োলজিক্যাল ক্লক অনুসারে আমি বাড়িতে সকাল ৭ টায় উঠি, কাজেই এখানে তাড়াতাড়ি আমার ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
আজ খুব ভোরে, প্রায় ৫ টা নাগাদ, ঘুম ভেঙে গিয়েছিলো। বাইরে তখনও অন্ধকার, বারান্দায় এসে বসলাম, একটু পরে আলো ফুটবে। বেশ ভালো লাগে ভোর হওয়া দেখতে। ৬টা নাগাদ সবাইকে ডেকে দিলাম, প্রাত্যহিক কাজ সেরে ফ্রেশ হয়ে চা-বিস্কুট খেয়ে আমরা অপেক্ষা করছিলাম। সাড়ে সাতটায় গাড়ি এলো আমাদের নিয়ে যেতে। আজ আমরা অনেকগুলি দ্বীপ ঘুরে দেখবো, সমুদ্র যাত্রা, সমুদ্রস্নান সবই হবে, কাজেই বাড়ি থেকে স্নান সেরে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
অন্তর্দেশীয় বহির্গমন বিমানবন্দরের তিনতলায় অবস্থিত। পূর্বেই বলেছি এবার আমাদের যাত্রা ফুকেটের উদ্দেশ্যে। বিমানবন্দরে নির্দিষ্ট বিমানের কাউন্টার থেকে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করে, নিরাপত্তা পরীক্ষার পর যখন নির্দিষ্ট দ্বারের সামনে এসে পৌঁছলাম তখন হাতে বেশ কিছুটা সময় ছিল। মা বাবা'রা কলকাতা থেকে অনেক মিষ্টি নিয়ে এসেছিলেন, কয়েকটির সদ্গতি করে বিমানে চড়লাম।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
প্রায় দীর্ঘ সাড়ে তিন বৎসর পর কয়েকদিনের ছুটিতে সপরিবারে গিয়েছিলাম থাইল্যান্ড। আগামী কয়েকটি পর্বে আমি আমাদের এই ভ্রমণ কাহিনীটি বিস্তারিত লিখব। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 25 Jan 2025
উহান আজ বিশ্ববাসীর কাছে খুব পরিচিত নাম। কোভিড-১৯ এই শহরেই প্রথম সংক্রামিত হয়েছিল। আমার এই শহরের সাথে পরিচয় তার কিছু পূর্বে, ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে। একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে যোগদান করতে ওই বছর মে মাসে আমি উহান শহরে যাই।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 23 Jan 2025
২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে গিয়েছিলাম তাজপুর-শঙ্করপুর-দীঘা বেড়াতে। তাজপুর বেড়ানোর অভিজ্ঞতা সম্বন্ধে একটি ব্লগ আমি পূর্বে লিখেছি। আজকের ব্লগে আমি শঙ্করপুর বেড়ানোর অভিজ্ঞতা লিখবো। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
বৈচিত্র্যময় ভারতবর্ষের মৃত্তিকার প্রতিটি কণায় কান পাতলে শোনা যায় তার ইতিহাস, লোকসংস্কৃতি, আর দর্শন। এই বৈচিত্র্যময়তার সাথে একাত্মতা অনুভব করেই আমরা সেইস্থানের মাহাত্ম্য অনুধাবন করি।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
আমি যে খুব ট্রেকিং প্রিয় মানুষ তা নয়, তবে বিগত কয়েক বৎসর ধরে, মানে আমার দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসের সময়কালের মধ্যে, বৎসরান্তে একবার গবেষণাগারের সকলের সাথে আমি কোনো না কোনো পর্বতে হাইকিং করতে যাই। করোনা মহামারীর পূর্বে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে গিয়েছিলাম সোবেকসানে (সোবেক পর্বতে, কোরিয়ান 'সান' শব্দটির অর্থ পর্বত), আবার ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসেও আমরা গিয়েছিলাম ওই পর্বতে।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
এ ভ্রমণ বৃত্তান্ত আমার ছোটবেলার, আমি তখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ি। বাবার এক বন্ধুর পরিবারের সাথে আমরা গিয়েছিলাম রাজগীর। বাবাকে কখনওই বেড়ানোর দীর্ঘ পরিকল্পনা করতে দেখিনি, হঠাৎ করেই ঠিক করে ফেলতেন, কখনও টিকিট কেটে এনে বাড়িতে এসে আমাদের নিয়ে রওনা হতেন।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
মহানগরী মুম্বই, ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন এসে পৌঁছলাম দুপুর প্রায় গড়িয়ে গেছে। এবার সোজা হোটেল। সাকিনাকা-তে আমাদের হোটেল, বিমানবন্দর থেকে বেশি দূরে নয়। আমাদের ফেরার ফ্লাইট সকালে, তাই এই জায়গাটা বেশ সুবিধার হলো আমাদের জন্যে। মুম্বই শহরে দীর্ঘদিন আমি কাটিয়েছি, কলেজের পাঠ শেষ করে কর্মসূত্রে এ শহরে আমি এসেছিলাম।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত তাজপুর পশ্চিমবঙ্গের সৈকত পর্যটনের তুলনামূলক নতুন সংযোজন। দ্বাদশ পরিকল্পনা অনুসারে পশ্চিমবঙ্গের অন্তর্গত যে চারটি পর্যটন বর্তনী (Circuit) শনাক্তকরণ করা হয়েছিল তার মধ্যে প্রথমটি সৈকত কেন্দ্রিক (দীঘা -শঙ্করপুর - তাজপুর - জুনপুট - মন্দারমনি) আর আমাদের গন্তব্য তাজপুর, জেলে বসতির উপর আধারিত এই পর্যটন কেন্দ্র।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
সিরাজের মৃত্যুতে অবসান হল আফসার বংশের, ভারতবর্ষের ভাগ্যাকাশে নেমে এলো সূর্যাস্ত। শুরু হল মীর জাফর বংশ, ইতিহাসে যা নাজাফী বংশ বলে পরিচিত। ২৪ শে জুন ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে যখন পলাশির যুদ্ধ শেষ হয় আর ২৯শে জুন মীর জাফর মুর্শিদাবাদের সিংহাসনে বসেন, রবার্ট ক্লাইভ যথার্থই বলেছিলেন এই জয় তাঁর নয় বরং এই জয় মীর জাফরের।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
পড়ন্ত বেলাতেই এসে উপস্থিত হলাম অতীতের মহানগরী ‘মুক্সুবাদ’-এ। নগরীর বাঁ দিক দিয়ে বয়ে চলেছে ভাগীরথী নদী, এই নগরের উত্থান তাকে ঘিরেই। নদীপথে ব্যবসা বাণিজ্যের সুবিধা হেতুই মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব নিযুক্ত তৎকালীন বাঙলা, বিহার আর উড়িষ্যার সুবেদার (পরবর্তীকালে ‘নবাব নাজিম’) মুর্শিদকুলী খাঁ ঢাকা থেকে ভাগীরথীর উপকণ্ঠে মুক্সুবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করেন, তাঁর নামানুসারে নগরের নাম পরিবর্তিত হয়ে হল মুর্শিদাবাদ, সূচনা হল ভারতবর্ষের এক নতুন ইতিহাসের।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
সকাল ১০ টা ১০ র শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস হাওড়া ছেড়ে যখন শান্তিনিকেতন পৌঁছালো তখন বেলা প্রায় সাড়ে বারোটা। বাইরে বেরিয়ে টোটো ধরে হোটেল পান্থনিবাসে পৌঁছলাম প্রায় দেড়টা নাগাদ।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 20 Jan 2025
সময়ের অপ্রতুলতা জীবনধারণের সবক্ষেত্রে উপলব্ধি করলেও, বোধহয় সর্বাধিক প্রকট হয়ে ওঠে দৈনন্দিন ব্যস্ত জীবনের মধ্যে ভ্রমণের সময় অনুসন্ধানে। পাঁচমাড়ি ভ্রমণের সময়েও এর ব্যতিক্রম হয়নি।...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 13 Jan 2025
আনদং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইয়ংদেওক বা ইয়ংদক (Yeongdeok, South Korea) সমুদ্র সৈকতের দূরত্ব ৫৫-৬০ কিলোমিটারের মতন, সময় লাগে ঘন্টা খানেক। অপূর্ব সুন্দর সৈকতের পাশাপাশি ইয়ংদক বিখ্যাত তার মৎস বন্দর আর বিশেষত কাঁকড়ার জন্যে। ...
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 13 Jan 2025
যখন হরিদ্বার পৌঁছলাম ‘হর কি পাউরি’ ঘাটে সন্ধ্যারতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্রহ্মকুণ্ডের সামনে প্রথমে মাতা গঙ্গার বন্দনা আর তারপর পুরোহিতগণ নদীমাতৃকার উদ্দেশ্যে আরতি করেন, অগণিত ভক্ত সেই মঙ্গলারতি দর্শন করে নিজেদের ধন্য মনে করেন।........
- সম্পত ঘোষ (Sampat Ghosh)
- 13 Jan 2025